(1) ধারা ৮৮ ও ৮৯ এর অধীনে দণ্ডনীয় যে কোনো অপরাধ, মামলা রুজুর পূর্বে বা পরে, নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে আপস করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ৯২ ধারার অধীন যে আদালতের নিকট অভিযোগ দায়ের করা হইয়াছে, সেই আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে উক্ত অপরাধের কোনো আপস-মীমাংসা করা যাইবে না।
আরও শর্ত থাকে যে, উক্ত অর্থ কোনো অবস্থাতেই জরিমানার সর্বোচ্চ পরিমাণ অতিক্রম করিবে না, যাহা এই আইনের অধীনে আপসকৃত অপরাধের জন্য আরোপ করা যাইতে পারে।
(২) কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ অথবা তাঁহার দ্বারা এই মর্মে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো আধিকারিক, উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধের আপস নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না যিনি তাহার দ্বারা সংঘটিত প্রথম অপরাধটি যে তারিখে আপোস করা হইয়াছিল, সেই তারিখ হইতে তিন বৎসরের মধ্যে একই বা অনুরূপ অপরাধ সংঘটিত করেন।
ব্যাখ্যা।—এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যার্থে, যে তারিখে অপরাধটি পূর্বে আপোস নিষ্পত্তি করা হইয়াছিল সেই তারিখ হইতে তিন বৎসরের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর সংঘটিত যেকোনো দ্বিতীয় বা পরবর্তী অপরাধ প্রথম অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(4) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ নিষ্পত্তি করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে উক্ত নিষ্পত্তিপ্রাপ্ত অপরাধের বিষয়ে অপরাধীর বিরুদ্ধে কোনো কার্যধারা অথবা পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যধারা গ্রহণ করা হইবে না।
(৫) কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ অথবা এই মর্মে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা কর্তৃক উপ-ধারা (১) অনুসারে কোনো অপরাধ আপস নিষ্পত্তির নিমিত্ত অর্থরাশি গ্রহণ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৯৭৩ (১৯৭৪ সনের ২ নং আইন) এর অর্থানুসারে খালাস বলিয়া গণ্য হইবে।