(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, জাতীয় কমিশনের অধিক্ষেত্র থাকিবে—
গ্রহণ করা—
(i) যে সকল অভিযোগের ক্ষেত্রে পণ্য বা সেবার মূল্য, যা প্রতিফলস্বরূপ প্রদত্ত হয়েছে, দশ কোটি টাকার অধিক হয়:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার তদ্রূপ করা আবশ্যক মনে করে, সেক্ষেত্রে ইহা যেরূপ উপযুক্ত মনে করে সেইরূপ অন্যরূপ মূল্য বিহিত করিতে পারিবে;
(ii) অন্যায্য চুক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যেখানে পণ্য বা সেবার প্রতিদান হিসাবে প্রদত্ত মূল্য দশ কোটি টাকা অতিক্রম করে;
(iii) যেকোনো রাজ্য কমিশনের আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল;
(iv) কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল; এবং
(খ) কোনো ভোক্তা বিরোধের ক্ষেত্রে, যা কোনো রাজ্য কমিশনের নিকট বিচারাধীন আছে বা যা দ্বারা নিষ্পত্তি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে নথি তলব করা এবং উপযুক্ত আদেশ প্রদান করা, যেখানে জাতীয় কমিশনের নিকট প্রতীয়মান হয় যে উক্ত রাজ্য কমিশন আইন দ্বারা উহার উপর অর্পিত নয় এমন এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, অথবা আইন দ্বারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে, অথবা উহার এখতিয়ার প্রয়োগকালে বেআইনিভাবে বা গুরুতর অনিয়ম সহকারে কাজ করেছে।
(২) জাতীয় কমিশনের এখতিয়ার, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব উহার বেঞ্চসমূহ কর্তৃক প্রয়োগ করা যাইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ সমীচীন মনে করিবেন, একজন বা ততোধিক সদস্য সমন্বয়ে একটি বেঞ্চ গঠিত হইতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, বেঞ্চের জ্যেষ্ঠতম সদস্য বেঞ্চের সভাপতিত্ব করিবেন।
(৩) যেখানে একটি বেঞ্চের সদস্যগণের কোনো বিষয়ে মতানৈক্য হয়, সেই বিষয়টি সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুসারে নিষ্পত্তি হইবে, যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, কিন্তু যদি সদস্যগণ সমানভাবে বিভক্ত হন, তাঁহারা যে বিষয়ে বা বিষয়সমূহে মতানৈক্য করিয়াছেন তাহা উল্লেখ করিবেন, এবং রাষ্ট্রপতির নিকট একটি রেফারেন্স করিবেন যিনি হয় নিজে সেই বিষয়টি বা বিষয়সমূহ শ্রবণ করিবেন অথবা অন্য এক বা একাধিক সদস্য কর্তৃক সেই বিষয়ে বা বিষয়সমূহে শুনানির জন্য মামলাটি প্রেরণ করিবেন এবং সেই বিষয়টি বা বিষয়সমূহ, যাহারা প্রথমে উহা শ্রবণ করিয়াছিলেন তাঁহাদের সহ, যে সদস্যগণ মামলাটি শ্রবণ করিয়াছেন তাঁহাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুসারে নিষ্পত্তি হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতি বা অন্য সদস্য, ক্ষেত্রবিশেষে, উক্তরূপে প্রেরিত বিষয় বা বিষয়সমূহ সম্পর্কে উক্ত প্রেরণের তারিখ হইতে দুই মাসের মধ্যে মতামত প্রদান করিবেন।