৪৭ ধারার উপ-ধারা (১) -এর দফা (ক) -এর উপ-দফা (i) অথবা (ii) দ্বারা অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে রাজ্য কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ দ্বারা যে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে, আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, যেরূপ ফরম ও পদ্ধতিতে নির্ধারিত হইবে, জাতীয় কমিশনের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ত্রিশ দিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর জাতীয় কমিশন আপিল গ্রহণ করিবে না, যদি না উহা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত সময়সীমার মধ্যে উহা দাখিল না করার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল।
তবে আরও শর্ত থাকে যে, রাজ্য কমিশনের কোনো আদেশের শর্তানুসারে কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হবে এমন কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো আপিল জাতীয় কমিশন কর্তৃক বিবেচনা করা হবে না, যদি না আপিলকারী উক্ত অর্থের পঞ্চাশ শতাংশ যেরূপ নির্ধারিত হইতে পারে সেই পদ্ধতিতে জমা করে থাকেন।
(২) এই আইনে বা তৎকালে বলবৎ অন্য কোনো আইনে সুস্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোনো রাজ্য কমিশন কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে জাতীয় কমিশনের নিকট আপিল চলিবে, যদি জাতীয় কমিশন সন্তুষ্ট হয় যে, মামলাটিতে আইনের একটি সারগর্ভ প্রশ্ন জড়িত আছে।
(৩) যে আপিলে আইনের প্রশ্ন জড়িত থাকে, আপিল স্মারকে আপিলের সহিত জড়িত সারবান আইনের প্রশ্ন সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করিতে হইবে।
(৪) যেক্ষেত্রে জাতীয় কমিশন সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো মামলায় আইনের একটি সারবান প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে, তাহা সেই প্রশ্নটি প্রণয়ন করিবে এবং সেই প্রশ্নের উপর আপিলটি শ্রবণ করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার কোনো বিধানই জাতীয় কমিশনের, লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, আইনের অন্য কোনো সারবান প্রশ্নের উপর আপিল শুনিবার ক্ষমতা হরণ বা খর্ব করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি ইহা সন্তুষ্ট হয় যে, মামলাটিতে আইনের এইরূপ প্রশ্ন জড়িত আছে।
(5) রাজ্য কমিশন কর্তৃক একতরফাভাবে প্রদত্ত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীন জাতীয় কমিশন-এর নিকট আপিল দায়ের করা যাইবে।