(1) যখন কোনো কূটনৈতিক আধিকারিক বা কনস্যুলার অফিসারের দ্বারা বা তাদের পক্ষে ৪১ ধারার উপ-ধারা (1) -এর অধীনে মোটর ভেহিকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হয়, তখন সেই ধারার উপ-ধারা (3) বা উপ-ধারা (6) -এ যা কিছুই থাকুক না কেন, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক উপ-ধারা (3) -এর অধীনে তৈরি করা বিধি অনুসারে এমন পদ্ধতিতে এবং এমনভাবে গাড়িটি রেজিস্টার করবে এবং বিধিগুলোতে থাকা বিধান অনুসারে প্রদর্শনের জন্য গাড়িটিকে একটি বিশেষ রেজিস্ট্রেশন মার্ক দেবে এবং একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে (এই ধারায় এরপর থেকে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট হিসেবে উল্লেখ করা হবে) যে গাড়িটি এই ধারার অধীনে রেজিস্টার করা হয়েছে; এবং এভাবে রেজিস্টার করা কোনো গাড়ি, যতক্ষণ সেটি কোনো কূটনৈতিক আধিকারিক বা কনস্যুলার অফিসারের সম্পত্তি থাকবে, ততক্ষণ এই আইনের অধীনে অন্যভাবে রেজিস্টার করার প্রয়োজন হবে না।
(2) যদি এই ধারার অধীনে রেজিস্টার করা কোনো গাড়ি কোনো কূটনৈতিক আধিকারিক বা কনস্যুলার অফিসারের সম্পত্তি না থাকে, তাহলে এই ধারার অধীনে ইস্যু করা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটটিও কার্যকর থাকবে না, এবং ধারা ৩৯ এবং ৪০-এর বিধানগুলো তখন প্রযোজ্য হবে।
(3) কেন্দ্রীয় সরকার কূটনৈতিক আধিকারিক এবং কনস্যুলার অফিসারদের মোটর ভেহিকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য বিধি তৈরি করতে পারে, যেখানে এই ধরনের গাড়ি রেজিস্টার করার জন্য নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে কী পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে, সেই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট किस ফর্মে ইস্যু করা হবে, কী পদ্ধতিতে সেই রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট গাড়ির মালিকদের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই গাড়িগুলোকে কী বিশেষ রেজিস্ট্রেশন মার্ক দিতে হবে, তা উল্লেখ থাকবে।
(4) এই ধারার উদ্দেশ্যে, "কূটনৈতিক আধিকারিক" বা "কনস্যুলার অফিসার" মানে এমন কোনো ব্যক্তি, যাকে কেন্দ্রীয় সরকার সেই হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং কোনো ব্যক্তি এই ধরনের আধিকারিক কি না, সেই বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে, কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।