জাতীয় কমিশন, কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে, যে সকল বিষয়ে বিধান করা আবশ্যক বা সমীচীন, সেই সকল বিষয়ে এই আইনের সহিত অসংগতিপূর্ণ নহে এমন প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) বিশেষত, এবং পূর্বোক্ত ক্ষমতার ব্যাপকতাকে ক্ষুণ্ণ না করে, উক্ত প্রবিধানসমূহ নিম্নোক্ত বিষয়সমূহের জন্য বিধান করিতে পারিবে—
(ক) ধারা ৩৮ এর উপ-ধারা (৭) এর দ্বিতীয় পরন্তুকের অধীন জেলা কমিশন কর্তৃক আরোপিতব্য মুলতবি বাবদ ব্যয়;
(খ) ৫২ ধারার দ্বিতীয় পরন্তুক অনুসারে, ক্ষেত্রমত, রাজ্য কমিশন অথবা জাতীয় কমিশন কর্তৃক মুলতবি বাবদ আরোপিতব্য ব্যয়;
(গ) ৭৪ ধারার উপ-ধারা (৪) এর অধীন ভোক্তা মধ্যস্থতা কক্ষ কর্তৃক অন্যান্য কোনো তথ্যের সংরক্ষণ;
(d) ৭৪ ধারার উপ-ধারা (৫) এর অধীন ভোক্তা মধ্যস্থতা কক্ষ কর্তৃক জেলা কমিশন, রাজ্য কমিশন অথবা জাতীয় কমিশনের নিকট ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন দাখিলকরণ পদ্ধতি;
(e) মধ্যস্থতাকারী হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য আবশ্যক যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা, তালিকাভুক্তির পদ্ধতি, তালিকাভুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের প্রশিক্ষণের পদ্ধতি, তালিকাভুক্ত মধ্যস্থতাকারীকে প্রদেয় ফি, তালিকাভুক্তির শর্তাবলী, তালিকাভুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের আচরণবিধি, যে সকল ভিত্তিতে এবং যে পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের অপসারণ করা হইবে অথবা তালিকাভুক্তি বাতিল করা হইবে এবং তৎসম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়, ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন;
(চ) ৭৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে মধ্যস্থতাকারীদের পরবর্তী মেয়াদের জন্য পুনরায় তালিকাভুক্তকরণ সংক্রান্ত শর্তাবলী;
(g) ধারা ৭৭-এর দফা (গ) অনুসারে মধ্যস্থতাকারীদের কর্তৃক প্রকাশিতব্য অন্যান্য তথ্য;
(h) যে সময়ের মধ্যে এবং যে পদ্ধতিতে ৭৯ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে মধ্যস্থতা পরিচালিত হইতে পারে; এবং
অন্যান্য যে সকল বিষয়ের জন্য প্রবিধান দ্বারা বিধান করা হইবে, অথবা করা যাইতে পারে।