(১) জাতীয় কমিশনের উপভোক্তাদের স্বার্থের উন্নততর সুরক্ষার জন্য এবং সেই উদ্দেশ্যে, কেন্দ্রীয় সরকারের সহিত সময় সময় পরামর্শক্রমে এইরূপ পর্যাপ্ত মানদণ্ড নির্ধারণ করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং নিম্নলিখিত বিষয়সমূহে সকল রাজ্য কমিশনের উপর উহার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকিবে, যথা:—
(ক) রাজ্য কমিশনগুলির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ, তাহাদের নিষ্পত্তির নিরিখে, মোকদ্দমা রুজু, নিষ্পত্তি এবং বিচারাধীনতা সংক্রান্ত সাময়িক বিবরণী তলব করিয়া;
(খ) একটি রাজ্য কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগের তদন্ত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট অনুলিপি প্রেরণ সহ সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা;
** (c) বিষয়াদি শুনানির ক্ষেত্রে একরূপ কার্যপ্রণালী অবলম্বন, এক পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত নথিপত্রের অনুলিপি প্রতিপক্ষগণকে পূর্বাহ্নে সরবরাহ, যে কোনো ভাষায় লিখিত রায়ের ইংরেজি অনুবাদ সরবরাহ এবং নথিপত্রের অনুলিপি দ্রুত প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশ জারি;**
(ঘ) রাজ্য কমিশন অথবা জেলা কমিশনের কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করা, হয় পরিদর্শনের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো উপায়ে, যেমন জাতীয় কমিশন সময়ে সময়ে নির্দেশ দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য যে, আইনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ সর্বোত্তমভাবে সাধিত হয় এবং জাতীয় কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ডসমূহ তাদের আধা-বিচারিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে বাস্তবায়িত হয়।
(২) রাজ্য কমিশনসমূহের প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ হইতে কার্যসম্পাদন তত্ত্বাবধান করিবার জন্য জাতীয় কমিশনের সভাপতি কর্তৃক একটি পরিবীক্ষণ প্রকোষ্ঠ গঠিত হইবে।
(৩) রাজ্য কমিশন উহার এখতিয়ারভুক্ত সমস্ত জেলা কমিশনগুলির উপর উপ-ধারা (১) -এ উল্লিখিত সকল বিষয়ে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখিবে।
(৪) জাতীয় কমিশন এবং রাজ্য কমিশনসমূহ কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট পর্যায়ক্রমে অথবা যখন এবং যেইরূপ প্রয়োজন হইবে, মামলার বিচারাধীনতা সহ যেকোনো তথ্য নির্ধারিত ফরম ও পদ্ধতিতে প্রদান করিবে।
(৫) রাজ্য কমিশন, পর্যায়ক্রমে অথবা যখনই প্রয়োজন হইবে, রাজ্য সরকারের নিকট মামলার বিচারাধীনতা সহ যেকোনো তথ্য যেরূপ ফরম ও পদ্ধতিতে নির্ধারিত হইবে, সরবরাহ করিবে।