(১) ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (১) এর অধীনে প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর তদন্ত পরিচালনার উদ্দেশ্যে, মহাপরিচালক অথবা এই বিষয়ে তাঁহার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আধিকারিক, অথবা ক্ষেত্রবিশেষে জেলা সমাহর্তা, যদি তাঁহার বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে কোনো ব্যক্তি কোনো ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন করিয়াছে অথবা অন্যায্য বাণিজ্য প্রথা অবলম্বন করিয়াছে অথবা কোনো মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন তৈরি করাইয়াছে, তাহা হইলে তিনি,--
(a) যে কোনো যুক্তিসঙ্গত সময়ে এইরূপ কোনো প্রাঙ্গণে প্রবেশ করা এবং কোনো দলিল, নথি, সামগ্রী অথবা অন্য কোনো প্রকারের সাক্ষ্যপ্রমাণের জন্য তল্লাশি করা এবং এইরূপ দলিল, নথি, সামগ্রী অথবা এইরূপ সাক্ষ্যপ্রমাণ বাজেয়াপ্ত করা;
(খ) উক্ত নথি বা দ্রব্যের টীকা বা তফসিল প্রস্তুত করা; অথবা
(c) কোনো ব্যক্তিকে কোনো নথি, রেজিস্টার বা অন্য কোনো দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করিতে চাইতে পারি।
(২) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৯৭৩ (১৯৭৪ সনের ২ নং) এর তল্লাশি ও আটক সংক্রান্ত বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের অধীন তল্লাশি ও আটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) -এর দফা (ক) এর অধীন আটককৃত অথবা উক্ত উপ-ধারার দফা (গ) এর অধীন উপস্থাপিত প্রত্যেক দলিল, রেকর্ড বা সামগ্রী, উহার অনুলিপি অথবা নির্যাস, নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রত্যায়িত করিয়া গ্রহণ করিবার পর, যাহার নিকট হইতে উহা আটক করা হইয়াছিল অথবা যিনি উহা উপস্থাপন করিয়াছিলেন, উক্ত ব্যক্তিকে, উক্ত আটক বা উপস্থাপনের তারিখ হইতে বিশ দিনের মেয়াদের মধ্যে, ক্ষেত্রমত, ফেরত প্রদান করা হইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন আটককৃত কোন দ্রব্য যদি দ্রুত বা স্বাভাবিক ক্ষয়প্রবণ হয়, তাহা হইলে মহাপরিচালক বা তদ্রূপ অন্য কোন কর্মকর্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত দ্রব্যের নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
(৫) উপ-ধারা (৪) -এ উল্লিখিত দ্রব্য ব্যতীত অন্য দ্রব্যসমূহের ক্ষেত্রে, ৩৮ ধারার উপ-ধারা (২) -এর দফা (গ) -তে অন্তর্ভুক্ত বিধানাবলী বিশ্লেষণ বা পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে।